পৃথিবীর জলের উৎসগুলির অধিকাংশই নোনা জলের, মাত্র ২.৫ শতাংশ মিষ্টি জলের। এই গ্রহের মিষ্টি জলের প্রায় ৭০ শতাংশ আন্টার্কটিকা আর গ্রীনল্যান্ডে বরফিভূত অবস্থায় আছে, অবশিষ্ট মাত্র ৩০ শতাংশ (মোট উপলব্ধ জলের ০.৭ শতাংশ) মনুষ্য ব্যবহারের উপযোগী। এই অবশিষ্ট ০.৭ শতাংশের মধ্যে আনুমানিক ৮৭ শতাংশ কৃষিকর্মে ব্যবহৃত হয়। (IPCC, 2007)
এই সমস্ত পরিসংখ্যান পৃথিবীর জলাভাব সংক্রান্ত সমস্যার অপরিসীম গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে। জলাভাবের সংজ্ঞা হল প্রতি বছর মাথা পিছু ১৭০০ ঘন মিটারের কম জলের সরবরাহ। (IPCC, 2007)

কৃষিকর্মে জলের ব্যবস্থাপনার সর্বাত্মক নির্ধারকের মতে প্রতি তিন জন মানুষের একজন জলাভাবের শিকার হয় (২০০৭)। পৃথিবীর জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ, আনুমানিক ১২০ কোটি মানুষ জলাভাব প্রবন অঞ্চলে বসবাস করে। আর পৃথিবীর এক-চতুর্থাংশ, আনুমানিক ১৬০ কোটি মানুষ সে সমস্ত উন্নয়নশীল দেশে বসবাস করে যেখানে নদী এবং ভূগর্ভস্ত জলাধার থেকে জল উত্তোলন এবং পরিবহনের পরিকাঠামো নেই (যাকে অর্থনৈতিক জলাভাব বলা হয়)।

আই.পি.সি.সির মতে চারটি প্রধান কারণ জলাভাবকে আরও বাড়িয়ে তুলছে:
বিভিন্ন কারণে ভবিষ্যতে জলাভাবের সমস্যা সদাবর্ধমান রূপ ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করা যায়। প্রথমত বৃষ্টিপাতের স্থান ও সময়গত ব্যাপ্তি অত্যন্ত অসমান, যার ফলে পৃথিবীব্যাপী জলের উৎসগুলির সময়ের সাথে পরিবর্তনশীলতা ভীষণ ভাবে বেড়ে যাবে
(Oki et al, 2006)।উদাহরণস্বরূপ বলা যায় পৃথিবীর শুষ্কতম স্থান চিলির আটাকামা মরুভূমিতে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমান অতি সামান্য। বিপরীতে, ভারতবর্ষের আসাম প্রদেশের মাওসিনরামে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমান ৪৫০ ml। যদি পৃথিবীর সমস্ত মিষ্ট্জল পৃথিবীবাসীর মধ্যে সমভাবে বন্টন করা হত তাহলে জনপিছু প্রতিবৎসর ৫০০০-৬০০০ ঘন মিটার জল উপলব্ধ হত। (Vorosmarty, 2000)দ্বিতীয়ত, তাপমান এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতার ওপর নির্ভর করে বাষ্পীভবনের হার অত্যন্ত পরিবর্তনশীল, যার প্রভাব ভূতলগত জলের সরবরাহ পরিপূরণ করার ওপর পড়ে। যৌথভাবে, কমসময়ে অধিক বৃষ্টি এবং বাষ্পীভবন, উদ্ভিদের শোষণ ও কৃষিকর্মে অধিক জল ব্যবহারের ফলে ভূপৃষ্ঠের জলের রিক্ততা ঘটে।
(Konikow and Kendy, 2005)ভূপৃষ্ঠ ও সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বাষ্পীভবন দিয়ে জলচক্রের শুরু হয়, বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পূণর্বন্টনের ও মেঘ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে এটা চলতে থাকে এবং বৃষ্টিপাতের দ্বারা তা আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে। বৃষ্টির জল ভূমিতে শোষিত কিম্বা সমুদ্রে বাহিত হবার পর এই চক্র শেষ হয় এবং বাষ্পীভবনের মধ্যে দিয়ে পুনরায় শুরু হয়।
জল চক্রের মূল পরিবর্তন গুলির মধ্যে রয়েছে (যে সমস্ত পরিবর্তন বায়ুমন্ডলে অতিরিক্ত গ্রীনহাউস্ গ্যাস এবং তজ্জনিত জলবায়ুর পরিবর্তনের জন্য হয়েছে):
বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমানের প্রক্ষেপ নির্দেশ করে যে উষ্ণ অঞ্চলে এবং উচ্চ অক্ষাংশে বৃষ্টিপাতের পরিমান বৃদ্ধি পাবে কিন্তু সাবট্রপিকাল অঞ্চলে বিশেষতঃ মেরুর নিকটবর্তী কিনারা অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমান হ্রাস হবার সম্ভাবনা। এইরূপে অক্ষাংশের পরিবর্তন জলের উত্সর বিতরনকে প্রভাবিত করতে পারে। সাধারণ ভাবে বলতে গেলে ১৯৮০ সালের পর থেকে ১০ ডিগ্রী দক্ষিণ এবং ৩০ ডিগ্রী উত্তরের মধ্যবর্তী অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমান কমে গেছে।
(IPCC, 2007)এই সমস্ত সাবট্রপিকাল অঞ্চলের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জলের উৎসগুলির উপর চাপ বাড়ার সম্ভবনা, বিশেষতঃ যদি জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।
যখন কোন কোন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের স্বল্পতা অনুভূত হয়, তখন অন্য অনেক অঞ্চলে (যথা উষ্ণ অঞ্চলে বা উচ্চ অক্ষাংশে) বৃষ্টিপাতের আধিক্য আশা করা যায়। কোন অঞ্চলে বর্ষনের আধিক্য ঘটলে সেই এলাকা কয়েকটি নির্নায়কের ওপর সংবেদনশীল হয়ে পড়ে, যেমন:
এই সমতা নির্নায়কগুলির পক্ষে জি.ডি.পি র অর্থনৈতিক উপাদানগুলিকে প্রভাবিত করা সম্ভব যেমন কৃষি উৎপাদনশীলতা, জমির মূল্য, ভূমির বাসযোগ্যতা ইত্যাদি।
(IPCC, 2007)উপরন্তু উষ্ণতা ভূপৃষ্ঠের শুষ্ককরন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে যার ফলে ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগের স্তরগুলিতে জলের যোগান কমে যায়। মাটির জলীয় বাষ্পের স্বল্পতা জলের নিম্নপ্রবাহ কম করে এবং ভূতলগত জলের উৎসগুলিতে জলের পুনর্যোগান কম করে। (Nearing et al, 2005)যে সমস্ত এলাকায় বৃষ্টিপাত এবং ভূমির জলীয় বাষ্পের পরিমান কমে যায় সেখানে ভূপৃষ্ঠের শুষ্কতা বৃদ্ধি পায় এবং ক্রমবর্ধমান হারে সেই অঞ্চল কম জল সরবরাহের প্রতি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে।যদিও বৃষ্টিপাতের নকশার পরিবর্তন কি ভাবে জলপ্রবাহকে প্রভাবিত করে তার এখনও পুরোপুরি বিজ্ঞনসম্মত ব্যাখ্যা নেই। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় যে প্রতি এক ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য পার্থিব জলপ্রবাহ ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। বৃষ্টিপাত এবং বাষ্পীভবনের পরিবর্তনের ওপর এই প্রক্ষেপ প্রয়োগ করলে সিদ্ধান্তে আসা যায় যে এই শতকের শেষভাগে পার্থিব জলপ্রবাহ ৭.৮ শতাংশ বেড়ে যাবে।
(Oki and Kanae, 2006)এইভাবে যে অঞ্চলে বার্ষিক বৃষ্টিপাত বেশী হয় বা জলপ্রবাহ বেশী সেখানে বন্যার সম্ভবনা বেড়ে যাবে।উপরন্তু যে সমস্ত অঞ্চল ভূগর্ভস্থ জলের সঞ্চয় কম থাকার জন্য আগে থেকেই সংবেদনশীল সেখানে ক্রমবর্ধমান তাপমান ও ক্ষীয়মান জল সরবরাহ এই চক্রকে আরো তীব্র করে। যে সমস্ত স্থানে জলকষ্ট আছে, বৃষ্টিপাতের নকশার বৈচিত্র সম্ভবত সেই সব অঞ্চলে ভূতলগত জলের সঞ্চয় পুনর্নবীকরনের ক্ষমতা কমিয়ে দেবে। খারাপ ব্যবস্থাপনা, জলের টেবিলের উচ্চতা, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার দ্বারা বেশী ব্যবহার এবং বর্ধিত কৃষি উৎপাদনের জন্য বর্ধিত জলের চাহিদা জলকে আরো দুষ্প্রাপ্য করতে পারে।
(IPCC, 2007)সম্প্রতি পামার খরা দুরুহতা সূচীর বিশ্ব প্রকরণ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে অতি শুষ্ক অঞ্চলের আয়তন ১৯৭০ সালের তুলনায় দ্বিগুনেরও বেশী হয়েছে যেখানে অতি ভিজা অঞ্চলের আয়তন ওই একই সময়ে সামান্য হ্রাস পেয়েছে। কিছু কিছু অধিক প্রবন অঞ্চলে ইতিমধ্যেই বর্ধিত তাপমাত্রা জলের প্রাপ্যতা কমিয়ে দিয়েছে। ১৯০০ ও ২০০৫ সালের মধ্যে পশ্চিম আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় বৃষ্টিপাতের পরিমান ৭.৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
(Dai et al, 2004)বিশ্বের প্রধান মরুভূমিগুলির অধিকাংশতেই, যথা নামিব, কালাহারি, অস্ট্রেলীয়, থর, আরব্য, পাতাগোনিয় ও উত্তর সাহারায়, বর্ধিত ঊষ্ণীকরনের সহিত কম বৃষ্টিপাত এবং অধিক জলপ্রবাহের আশংকা করা যায়। উপরন্তু শুষ্ক এবং প্রায় শুষ্ক অঞ্চলে জলপ্রবাহে ঘাটতি ও অপসরণের নকশায় মরসুমী পরিবর্তন আসতে পারে। বর্ধিত তাপমাত্রা জলচক্রের তীব্রতা বৃদ্ধি করলে আবহাওয়াজনিত ঘটনাগুলির আরো চরম বৈচিত্র দেখা দেবে, যেমন খরা হবে আরো প্রলম্বিত এবং বন্যার শক্তি বৃদ্ধি পাবে।
(Huntington, 2005)উষ্ণতার শীতকালীন তাপমাত্রা যা হিমবাহের বরফের আয়তন কমিয়ে দেয় জল সরবরাহকে প্রভাবিত করতে পারে। এর ফলস্বরূপ গ্রীষ্মে জল সরবরাহের উৎস হ্রাস পায়। মধ্য উচ্চ ও পার্বত্য অঞ্চলে এই সরবরাহ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ন কারণ নদী এবং ভূগর্ভস্থ জলের উৎস পরিপূর্ণ করার জন্য এই সব অঞ্চল বরফগলা জলের ওপর নির্ভরশীল। অতঃপর সময়ের সাথে সাথে এই সব অঞ্চল আরো জলাভাব প্রবন হয়ে উঠবে কারণ বর্ধিত তাপমাত্রা গ্রীষ্ম কালে বরফগলা জলপ্রবাহে দ্রুত বৃদ্ধি ঘটাবে তারপর হিমবাহের আকার ছোট হওয়ার সাথে এই প্রবাহে ঘাটতি দেখা দেবে। এই বরফগলা জলের ঘাটতি পৃথিবীর ছয় ভাগের এক ভাগ মানুষকে প্রভাবিত করবে বলে প্রক্ষেপিত হয়েছে।
(IPCC, 2007)বরফগলা জল প্রবাহের ঘাটতি আন্দিজ্ পার্বত্য অঞ্চলে ইতিমধ্যেই লক্ষিত হয়েছে, যেখানে শীতকালে হিমবাহের পরিপূরন করার প্রবনতা অপর্য্যাপ্ত। এই ঘটনার কারণ বর্ধিত তাপমাত্রা যার ফলে হিমবাহর পশ্চাৎপসরন ঘটেছে। এটা সম্ভাব্য যে আন্দিজ পার্বত্য অঞ্চলের জনগণ বরফ গলা জলপ্রবাহের ঘাটতি লক্ষ করেছেন কারণ বিক্ষিপ্ত ভাবে বিস্তৃত ছোট ছোট হিমবাহ জলপ্রবাহ আরো কমিয়ে দেয়। এই সব অঞ্চলে প্রায় এক তৃতিয়াংশ মানুষ পানীয় জলের জন্য এই সরবরাহের উপর নির্ভরশীল। যদি অতিরিক্ত গলন এবং কম পরিপূরনের এই প্রবনতা পৌনঃপুনিক ভাবে চলতে থাকে তাহলে এই অঞ্চলের জলের সঞ্চয়ের ভবিষ্যৎ ভয়াবহ।
(Goudie, 2006)ক্রমবর্ধমান নাগরিক, শিল্পগত এবং কৃষিজ ব্যবহারের ফলে যে দূষণ সৃষ্টি হয় মিষ্টি জলের আধার গুলির তাকে শোধন করার ক্ষমতা সীমিত। জলের গুণমান খারাপ হওয়াও জলাভাবের মুখ্য কারণ হতে পারে।
যদিও আই.পি.সি.সি. প্রক্ষেপিত করেছে যে বিশ্বের গড় তাপমাত্রার কয়েক ডিগ্রী বৃদ্ধির জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দ্বাবিংশ শতাব্দীতে বিশ্বব্যাপী গড় বৃষ্টিপাত বেশী হবে, এর অর্থ অবশ্যই এ নয় যে পানযোগ্য জলের পরিমান বৃদ্ধি পাবে।
অতিরিক্ত বৃষ্টি কিম্বা জলপ্রবাহের দরুন জলের গুণমান হ্রাস পেতে পারে; জলে অতিরিক্ত পুষ্টিদায়ী পদার্থ থাকলে জীবানু ও দূষণকারী পদার্থ ও বেশী থাকবে। এই সব দূষক মূলতঃ ভূপৃষ্ঠের জলাধারগুলিতে থাকে কিন্তু বৃষ্টির আধিক্য জলস্রোতের সঙ্গে এদের তাড়না করে।
(IPCC, 2007)অনুরূপভাবে খরার সময় যখন ভূগর্ভস্থ জলাধারগুলির সঞ্চয় কমে যায়, অবশিষ্টাংশের গুণমান হ্রাস পায়। এর কারণ ভূত্বক, পারিপার্শ্বিক জলাধার, বা স্তর থেকে ছিদ্রপথে আসা নোনা কিম্বা দূষিত জলের মিশ্রণ। কম বৃষ্টিপাত ও জলপ্রবাহের ফলে জলে দূষিত পদার্থের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় যার পরিনাম জলাশয়ে ও পানীয় জলাধারে জীবানুর মাত্রা বৃদ্ধি। (IPCC, 2007)জলের দূষণের মুখ্য কারণগুলির অন্যতম হল জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি। জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি বীজানুর বংশবৃদ্ধির সহায়ক এবং তা মানব স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। উপরন্তু জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পরিবেশ চক্রের বিভিন্ন প্রানীকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করতে পারে কারণ অনেক প্রজাতি তাপমাত্রার প্রতি সংবেদনশীল। একটি জলাধারের, যেমন একটি নদীর, স্বাস্থ্য নির্ভর করে তার বায়োডিগ্রেডেসান্ পদ্ধতিতে কার্যকরভাবে আত্মশোধন ক্ষমতার ওপর। জলে দ্রবীভূত অক্সিজেন কম থাকলে এই আত্মশোধন ক্ষমতা হ্রাস পায়। এটা ঘটে যখন জল উষ্ণ হয় আর তার অক্সিজেন ধারণ ক্ষমতা কমে যায়। ফলস্বরূপ বৃষ্টিপাতের পরে জলাশয় এবং পানীয় জলাধার গুলিতে দূষক পদার্থ বাহিত হয় আর উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্যহানিকর প্রভাব সৃষ্টি করে।
(IPCC, 2007)তটভূমির অধিবাসীদের জলের গুনমান লবনাক্তকরন বা সরবরাহ কৃত জলে অতিরিক্ত লবনের দরুন ব্যাহত হতে পারে। সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে এটা ঘটতে পারে ,যখন ভূতলগত জল ও নদীমুখের জল লবনাক্ত হয়ে যায়। সমুদ্রতলের উচ্চতাবৃদ্ধি কেবলমাত্র লবনাক্ত এলাকার আয়তনই বাড়াবে না, তটভূমি এলাকায় উপলব্ধ মিষ্টি জলের পরিমানও হ্রাস করবে। তটভূমির ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বর্ধিত চাহিদা ভূগর্ভস্থ জলের সঞ্চয় কমিয়ে দিয়েছে যার ফলস্বরূপ পানীয় জলের উৎসগুলি আরো বেশী দূষণপ্রবন হয়ে পড়ছে এবং লবনাক্ত ভূমির আগ্রাসন ঘটছে।
(IPCC, 2007)
Translated into Bengali by Saheli Nath
References
Confalonieri, U., Menne B., Akhtar, R., Ebi, K.L., Hauengue, M., Kovats, R.S., Revich, B. and Woodward, A. 2007. Human health. Climate Change 2007: Impacts, Adaptation and Vulnerability. Contribution of Working Group II to the Fourth Assessment Report of the Intergovernmental Panel on Climate Change. Cambridge University Press, Cambridge, UK, 391-431.
Dai, A., Trenberth, K., and Qian, T. 2004. A Global Dataset of Palmer Drought Severity Index for 1870-2002: Relationship with Soil Moisture and Effects of Surface Warming. Journal of Hydrometeorology. (5). 1117- 1130.
Goudie, Andrew. 2006. Global Warming and Fluvial Geomorphology. Geomorphology. (79). 3-4. 384-394.
Huntington, T. G. (2005). Evidence for Intensification of the Global Water Cycle: Review and Synthesis. Journal of Hydrology. (319): 83-95.
Konikow, Leonard and Eloise Kendy. (2005). Groundwater Depletion: A Global Problem. Hydrogeology (13). 317-320.
Nearing, M.A., Jetten, V., Baffaut, C., Cerdan, O., Couturier, A., Hernandez, M., Le Bissonnals, Y., Nichols, M.H., Nunes, J.P., Renschler, C.S., Souchere, V. and Van Oost, K. (2005). Modeling Response of Soil Erosion and Runoff to Changes in Precipitation and Cover. Catena (61). 131–154.
Oki, Taikan and Shinjiro Kanae. (2006). Global Hydrological Cycles and World Water Resources. Science (313): 5790. 1068-1072.
Vorosmarty, Charles, Green, P. Salisbury, J. Lammers, R. (2000). Global Water Resource: Vulnerability from Climate Change and Population Growth. Science (289): 5477. 284-288.
Comprehensive Assessment of Water Management in Agriculture. 2007. David Molden, ed. International Water Management Institute. 3 March 2010. PDF
Miscellaneous Hydrology Studies
World Water Assessment Programme. 2003. Water for People, Water for Life: The United Nations World Water Development Report. UNESCO: Paris.
Kabat, Pavel, Henk van Schaik, et al. 2003. Climate changes the water rules: How water managers can cope with today's climate variability and tomorrow's climate change. Dialogue on Water and Climate: The Netherlands. [ FULL TEXT ]
Dialogue on Water and Climate. 2002. Coping with Impacts of Climate Variability and Climate Change in Water Management: A Scoping Paper. Dialogue on Water and Climate: The Netherlands. [ PDF ]
Nijssen, Bart, Greg M. O'Donnell, Alan F. Hamlet, and Dennis P. Lettenmaier. 2001. "Hydrologic Sensitivity of Global Rivers to Climate Change," Climatic Change, Vol. 50, No. 1-2, July, pp. 143-175.
Vörösmarty, Charles J., Pamela Green, Joseph Salisbury, and Richard B. Lammers. 2000. "Global Water Resources: Vulnerability from Climate Change and Population Growth," Science, Vol. 289, 14 July, pp. 284-288. [ FULL TEXT ]
Arnell, Nigel W. 1999. "Climate change and global water resources," Global Environmental Change, Vol. 9, Suppl. 1 , October, pp. S31-S49.
Frederick, Kenneth D., and David C. Major. 1997. "Climate Change and Water Resources," Climatic Change, Vol. 37, No. 1, September, pp. 7-23.
Major, David C., Kenneth D. Frederick. 1997. "Water Resources Planning and Climate Change Assessment Methods," Climatic Change, Vol. 37, No. 1, September, pp. 25-40.
Boorman, D. B., and C. E. M. Sefton. 1997. "Recognising the Uncertainty in the Quantification of the Effects of Climate Change on Hydrological Response," Climatic Change, Vol. 35, No. 4, April, pp. 415-434.
Frederick, Kenneth. 1997. "Water Resources and Climate Change," Resources for the Future: Washington, D.C. [ PDF ]
Rind, D., C. Rosenzweig, and R. Goldberg. 1992. "Modelling the hydrological cycle in assessments of climate change," Nature, 358, pp. 119-123.
Loáiciga, H.A. 2003. "Climate Change and Ground Water," Annals of the Association of American Geographers, Vol. 93, No. 1, March, pp. 30-41.
Stefan, H. G., X. Fang, and M. Hondzo. 1998. "Simulated Climate Change Effects on Year-Round Water Temperatures in Temperate Zone Lakes," Climatic Change, Vol. 40, No. 3-4, December, pp. 547-576.
Qin, Boqiang, and Qun Huang. 1998. "Evaluation of the Climatic Change Impacts on the Inland Lake - A Case Study of Lake Qinghai, China," Climatic Change, Vol. 39, No. 4, August, pp. 695-714.
Bonell, M. 1998. "Possible Impacts of Climate Variability and Change on Tropical Forest Hydrology," Climatic Change, Vol. 39, No. 2-3, July, pp. 215-272.
|
Join the Climate Institute e-news mailing list: |
© 2007 - 2010 Climate Institute All Rights Reserved |
900 17th St. NW, Suite 700, Washington, DC 20006 Phone: +1-202-552-4723 Fax: +1-202-737-6410 info@climate.org |